Persistant bios level rootkit কি?

ভূমিকাঃ

Persistant bios level rootkit

হচ্ছে এক ধরনের বায়োস লেভেলের ভাইরাস যা আপনার কম্পিউটারের বায়োস লেভেলের রুট এক্সেস নেয়।ফলে আপনার কম্পিউটারের ফুল এক্সেস পেয়ে যায় ভাইরাসের মালিক।

খুব সহজ ভাষায় এমন একটি প্রোগ্রাম যা আপনার মাদারবোর্ডে এক্সেস নিবে এবং তার পর আপনার কম্পিউটার রিমোট এক্সেসের সাহায্যে পরিচালনা করতে পারে।

এটা কতটুকু ক্ষতিকরঃ

এই ভাইরাসঘটিত কেস খুব ই রেয়ার।তাই এই ভাইরাসের সম্পর্কে অনেকেই জানে না।এই ভাইরাস আপনার কম্পিউটারের সব ডাটায় এক্সেস রাখতে পারে এবং কম্পিউটারের সাথে সংযুক্ত সকল ডিভাইস কে কমান্ড দিতে পারে।আপনার ডাটা চুরি করতে পারে,বাইন্ডিং করে ডাটা ছড়িয়ে দিতে পারে এমন কি আপনার ডাটা মুছে ও ফেলতে পারে।

এটি কিভাবে প্রবেশ করে?

এই ভাইরাস টি অনেক ভাবেই প্রবেশ করতে পারে।ব্যাকডোর ইউজ করে,কোন ছোটখাটো ট্রোজান বা কমান্ডিং বাগ প্লান্ট করে এই ভাইরাস প্রথমে আপনার পিসি তে প্রবেশ করানো হয়,তার পর কম্পিউটার এর বায়োস সিকিউরিটি ডিজেবল করে রুট এক্সেস নিয়ে নেয়।এবং তার সাথে কিছু কিছু ক্ষেত্রে বায়োস সিকিউরিটি তে একটি ইনভিজিবল বাগ প্লান্ট করে দেয় ফলে ভাইরাস আক্রান্ত জানার পরে বায়োস সিকিউরিটি এনাবেল করেও কোন কাজ হয়না।

এই ভাইরাস কাদের এটাক করে?ঃ

এই ভাইরাস এর কেস অনেক রেয়ার।কিন্ত আজ পর্যন্ত যতগুলো প্রব্লেম পাওয়া গেছে সব গুলাই উইন্ডোজ অপরেটিং সিস্টেম এর।লিনাক্স OS এ এই ভাইরাস প্রবেশ করা অসম্ভব কারন তাহলে লিনাক্স এর সিকিউরিটি ব্রেক করতে হবে।আর Mac IOS এও এটাক এর কোন ইনফোরমেশন পাওয়া যায় নি।

এই ভাইরাস যেহেতু মাদারবোর্ড এ এটাক করে তাই একেক মাদারবোর্ডের জন্য কাস্টোমাইজ করে এই ভাইরাস বানানো হয় কারন সব মাদারবোর্ডের সিকিউরিটি সিস্টেম এক না।

ডিটেক্ট করার উপায়ঃ

এই ভাইরাস ডিটেক্ট করার জন্য ম্যালওয়ারবাইটস এবং GMER নামে দুইটা স্ক্যানার আছে যা দিয়ে এই ভাইরাস ডিটেক্ট হওয়ার চান্স ৯০%।

এছাড়া আপনি আপনার নর্মাল অবজার্ভেশন দিয়েও ধরতে পারবেন।যেমন কম্পিউটার স্টার্ট করলে স্লো হয়ে যাওয়া,মাদারবোর্ড লগো তে পরিবর্তন,মাউস এবং কি বোর্ড এর কন্ট্রোল না থাকা,অনিয়ন্ত্রিত কমান্ড,অননুমোদিত ট্যাব ওপেন করা ইত্যাদি।

এই ভাইরাসের প্রতিকারঃ

এই ভাইরাস মাদারবোর্ডের বায়োস লেভেলে এটাক করে,তাই এটা থেকে নিস্তার পাওয়া চাট্টিখানি কথা নয়।অনেক সলিউশন আছে এই ভাইরাস থেকে বাচার কিন্ত কোন নির্দিষ্ট সলিউশন নেই যা দিয়ে এই ভাইরাস থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে।

প্রথমত আপনি আপনার কম্পিউটারের বায়োস সেটিংস এ গিয়ে বায়োস সিকিউরিটি এনাবেল করে দেখতে পারেন।তাতে কাজ না হলে আপনি আপনার কম্পিউটার কে নতুন করে সেটাপ দিয়ে চেষ্টা করতে পারেন।এছাড়াও ব্যাকডোর ডিটেক্ট করে সেটি রিমুভ করার মাধ্যমেও কাজ হতে পারে।এছাড়াও ম্যালওয়ারবাইটস এর রুটকিট রিমুভার দিয়েও চেষ্টা করতে পারেন।এই ভাইরাস রিমুভ করতে হলে সেই হ্যাকারের কোন ছোট ভুল খুজে তার এডভান্টেজ নিয়ে করতে হবে।না হলে এই ভাইরাস থেকে বাঁচার চান্স মাত্র ১%।

সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ <3

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *